বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাথরুমে পড়ে ছিল গৃহবধূর গলা কাটা মরদেহ

সাভারের আশুলিয়ায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী বিরুদ্ধে। তিনি স্ত্রীর লাশ বাথরুমে রেখে সন্তানকে নিয়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়া থানার কাঠগড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে নিহত শিমু আক্তার (২১) নামে ঐ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিমু আক্তার গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার মোগন্দপুর গ্রামের নয়া মিয়া ব্যাপারীর মেয়ে। পলাতক স্বামী ফারুক হোসেন একই জেলার বাসিন্দা। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাঠগড়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তাদের আড়াই বছরের এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, একই বাসায় নিহত নারী, তার আরো দুই বোন ও খালা-খালু বসবাস করেন। সোমবার রাত ১২টার দিকে স্বামী ফারুককে নিয়ে ঘরে চলে যান শিমু। পরদিন সকালে এক বোন তাকে অফিসে যাওয়ার জন্য ডাকতে এসে দেখেন ঘরের ছিটকিনি বাইরে থেকে আটকানো। ঘরে ঢুকতেই রক্তের চিহ্ন। ভেতরে কাউকে না পেয়ে বাথরুমে গিয়ে শিমুর মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। সকাল থেকেই ফারুক আর তাদের সন্তানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে- বঁটি বা ধারালো কিছু দিয়ে ঐ গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পলাতক স্বামীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাথরুমে পড়ে ছিল গৃহবধূর গলা কাটা মরদেহ

Update Time : ১১:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

সাভারের আশুলিয়ায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী বিরুদ্ধে। তিনি স্ত্রীর লাশ বাথরুমে রেখে সন্তানকে নিয়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়া থানার কাঠগড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে নিহত শিমু আক্তার (২১) নামে ঐ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিমু আক্তার গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার মোগন্দপুর গ্রামের নয়া মিয়া ব্যাপারীর মেয়ে। পলাতক স্বামী ফারুক হোসেন একই জেলার বাসিন্দা। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাঠগড়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তাদের আড়াই বছরের এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, একই বাসায় নিহত নারী, তার আরো দুই বোন ও খালা-খালু বসবাস করেন। সোমবার রাত ১২টার দিকে স্বামী ফারুককে নিয়ে ঘরে চলে যান শিমু। পরদিন সকালে এক বোন তাকে অফিসে যাওয়ার জন্য ডাকতে এসে দেখেন ঘরের ছিটকিনি বাইরে থেকে আটকানো। ঘরে ঢুকতেই রক্তের চিহ্ন। ভেতরে কাউকে না পেয়ে বাথরুমে গিয়ে শিমুর মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। সকাল থেকেই ফারুক আর তাদের সন্তানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে- বঁটি বা ধারালো কিছু দিয়ে ঐ গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পলাতক স্বামীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।