বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে পরকীয়ার জেরে প্রেমিককে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে অফিসকক্ষেই আত্মহত্যা

প্রেমিককে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে প্রেমিকের অফিসকক্ষেই আত্মহত্যা করেছেন এক প্রেমিকা। সোমবার (২৬ জুন) সাড়ে ১২টার দিকে সিলেটের বিয়ানবীবাজার উপজেলার বৈরাগীবাজার স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যাকারী প্রেমিকার নাম খায়রুননেছা মৌরি (৪০)। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার খশির নামনগর গ্রামের মৃত মনির আলীর মেয়ে।

সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার খশির পাটনিপাড়া গ্রামের মৃত সুনীল চন্দ্র দাসের ছেলে স্বাস্থ্যকর্মী গোপাল চন্দ্র দাসের (৩২) সঙ্গে মৌরির পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু কোনো এক বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ গোপাল চন্দ্র দাসের কর্মস্থল বৈরাগীবাজারের স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এসে তাকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন মৌরি। এসময় গোপাল দৌঁড়ে তার অফিসকক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে দেখতে পান- গোপালের অফিসকক্ষে ঢুকে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দেন মৌরি। তারপর অফিসকক্ষে থাকা অবস্থায় মৌরি জানালার পর্দা দিয়া অফিসকক্ষের ছাদের সাথে সংযুক্ত লোহার গ্রিলের সাথে গলায় ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা করেন।

বিয়ানীবাজার থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সিলেটে পরকীয়ার জেরে প্রেমিককে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে অফিসকক্ষেই আত্মহত্যা

Update Time : ০১:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

প্রেমিককে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে প্রেমিকের অফিসকক্ষেই আত্মহত্যা করেছেন এক প্রেমিকা। সোমবার (২৬ জুন) সাড়ে ১২টার দিকে সিলেটের বিয়ানবীবাজার উপজেলার বৈরাগীবাজার স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যাকারী প্রেমিকার নাম খায়রুননেছা মৌরি (৪০)। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার খশির নামনগর গ্রামের মৃত মনির আলীর মেয়ে।

সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার খশির পাটনিপাড়া গ্রামের মৃত সুনীল চন্দ্র দাসের ছেলে স্বাস্থ্যকর্মী গোপাল চন্দ্র দাসের (৩২) সঙ্গে মৌরির পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু কোনো এক বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ গোপাল চন্দ্র দাসের কর্মস্থল বৈরাগীবাজারের স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এসে তাকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন মৌরি। এসময় গোপাল দৌঁড়ে তার অফিসকক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে দেখতে পান- গোপালের অফিসকক্ষে ঢুকে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দেন মৌরি। তারপর অফিসকক্ষে থাকা অবস্থায় মৌরি জানালার পর্দা দিয়া অফিসকক্ষের ছাদের সাথে সংযুক্ত লোহার গ্রিলের সাথে গলায় ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা করেন।

বিয়ানীবাজার থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।