শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রীজের পিলারের নিচ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে আবেদন

 

জাদুকাটা নদীর ব্রীজের পিলারের নিচ থেকে বালু উত্তোলণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা খছরু মিয়া।

মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদনপত্র জমা দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শত কোটি টাকা ব্যয়ে যাদুকাটা ব্রীজের পিলারের নীচ থেকে এবং ব্রীজ সংলগ্ন নদীর তীর থেকে একটি অসাধু চক্র কিছুদিন যাবৎ দিনে রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে ব্রীজটি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রীজটি ৩ টি উপজেলার মানুষের যোগাযোগের দীর্ঘ দিনের কাক্সিক্ষত একটি উন্নয়ন অবকাঠামো। ব্রীজটি নির্মাণ হলে হাওরাঞ্চলের মানুষের অর্থনীতি, কৃষি মৎস্য সম্পদ, পর্যটন ও যোগাযোগের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। কিন্তু যাদুকাটা বালু মহালের ইজারাদারগণ তাদের তফশীলভুক্ত সীমানা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে এসে ব্রীজের নীচ, আশপাশ ও ব্রীজ সংলগ্ন তীর কেটে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে ব্রীজের অবকাঠামো ও পরিবেশের ব্যাপক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আবেদনপত্রে যাদুকাটা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের নীচ, আশপাশ এবং ব্রীজ সংলগ্ন রাজারগাঁও ও লামাশ্রম গ্রামের নদীর তীর কেটে অবৈধ ও বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে ব্রীজের অবকাঠামো ও ব্রীজ সংলগ্ন নদীর তীর রক্ষা করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিসের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আবেদন পেয়েছি। এ বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় দেখেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্রীজের পিলারের নিচ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে আবেদন

Update Time : ০৮:৩৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

জাদুকাটা নদীর ব্রীজের পিলারের নিচ থেকে বালু উত্তোলণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা খছরু মিয়া।

মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদনপত্র জমা দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শত কোটি টাকা ব্যয়ে যাদুকাটা ব্রীজের পিলারের নীচ থেকে এবং ব্রীজ সংলগ্ন নদীর তীর থেকে একটি অসাধু চক্র কিছুদিন যাবৎ দিনে রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে ব্রীজটি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রীজটি ৩ টি উপজেলার মানুষের যোগাযোগের দীর্ঘ দিনের কাক্সিক্ষত একটি উন্নয়ন অবকাঠামো। ব্রীজটি নির্মাণ হলে হাওরাঞ্চলের মানুষের অর্থনীতি, কৃষি মৎস্য সম্পদ, পর্যটন ও যোগাযোগের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। কিন্তু যাদুকাটা বালু মহালের ইজারাদারগণ তাদের তফশীলভুক্ত সীমানা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে এসে ব্রীজের নীচ, আশপাশ ও ব্রীজ সংলগ্ন তীর কেটে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে ব্রীজের অবকাঠামো ও পরিবেশের ব্যাপক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আবেদনপত্রে যাদুকাটা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের নীচ, আশপাশ এবং ব্রীজ সংলগ্ন রাজারগাঁও ও লামাশ্রম গ্রামের নদীর তীর কেটে অবৈধ ও বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে ব্রীজের অবকাঠামো ও ব্রীজ সংলগ্ন নদীর তীর রক্ষা করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিসের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আবেদন পেয়েছি। এ বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় দেখেন।