শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বম্ভরপুরে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত

 

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ফসল রক্ষায় বৃষ্টির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার বাদ জোহর উপজেলার মুক্তিখলা মল্লিকপুর গ্রামের বান্দেরঘাট এলাকায় এই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে বৃষ্টির জন্য কান্নাকাটি করেন।

স্থানীয়দের মতে, বৃষ্টি না হওয়ায় বোরো ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চরম শঙ্কা ও অস্বস্তিতে রয়েছেন হাওড়পারের কৃষকরা। পানির অভাবে ধানের চারা হুমকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। মোনাজাত শেষে এলাকার ছোট-বড় সবাই মিলে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরও হাওড়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিখলা, মল্লিকপুর, নতুন পাড়া, পদ্মনগর, বাগগাঁওসহ আশেপাশের লোকজন এই বছরেও নামাজে শরিক হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মল্লিকপুরের হাজী ফয়জুর রহমান, আতাউর রহমান, সবুজ পাশা, লোকমান হেকিম, আবদুল্লাহ, আবদুল আওয়াল, আব্দুর নুর, আব্দুল হাসিম, আবুল হাসান, মুক্তিখলার আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা আবুল কাসেম, মাওলানা আব্দুল বাছেত, মাওলানা আব্দুল হক আজমি, মাওলানা মাফিকুল, মাওলানা আক্তার, মাওলানা আমিন প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিশ্বম্ভরপুরে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত

Update Time : ০৮:১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ফসল রক্ষায় বৃষ্টির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার বাদ জোহর উপজেলার মুক্তিখলা মল্লিকপুর গ্রামের বান্দেরঘাট এলাকায় এই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে বৃষ্টির জন্য কান্নাকাটি করেন।

স্থানীয়দের মতে, বৃষ্টি না হওয়ায় বোরো ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চরম শঙ্কা ও অস্বস্তিতে রয়েছেন হাওড়পারের কৃষকরা। পানির অভাবে ধানের চারা হুমকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। মোনাজাত শেষে এলাকার ছোট-বড় সবাই মিলে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরও হাওড়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়া হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিখলা, মল্লিকপুর, নতুন পাড়া, পদ্মনগর, বাগগাঁওসহ আশেপাশের লোকজন এই বছরেও নামাজে শরিক হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মল্লিকপুরের হাজী ফয়জুর রহমান, আতাউর রহমান, সবুজ পাশা, লোকমান হেকিম, আবদুল্লাহ, আবদুল আওয়াল, আব্দুর নুর, আব্দুল হাসিম, আবুল হাসান, মুক্তিখলার আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা আবুল কাসেম, মাওলানা আব্দুল বাছেত, মাওলানা আব্দুল হক আজমি, মাওলানা মাফিকুল, মাওলানা আক্তার, মাওলানা আমিন প্রমুখ।