শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বম্ভরপুরে মিষ্টির দোকানের কর্মচারী হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

 

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ বাজারে মিষ্টির দোকানের কর্মচারী আব্দুল জলিল ওরফে ফালান হত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পলাশগাঁও গ্রামের জিন্নত আলীর ছেলে ফজর আলী, মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. আজিজুল হক ভুদু এবং দীঘলবাগ গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে আলমগীর। সোমবার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তেহসিন ইফতেখার এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ঘটনার এক মাস আগে ফালানের কাছ থেকে অভিযুক্ত ফজর আলী একটি মোবাইল ধার নিয়েছিলেন। পরে সেটির ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফালানের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শত্রুতা আরও বেড়ে যায় এবং অভিযুক্তরা হত্যার পরিকল্পনা করে।

নভেম্বরের ৩ তারিখ রাত ১১টার দিকে দোকান থেকে ফেরার পথে ফালানকে কৌশলে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে লাথি, কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করা হয়। পরদিন সকালে তার লাশ একটি পুকুরে ভেসে উঠলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি শেরেনুর আলী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ নাজিম কয়েস আজাদ মামলাটি পরিচালনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিশ্বম্ভরপুরে মিষ্টির দোকানের কর্মচারী হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

Update Time : ০৭:০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ বাজারে মিষ্টির দোকানের কর্মচারী আব্দুল জলিল ওরফে ফালান হত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পলাশগাঁও গ্রামের জিন্নত আলীর ছেলে ফজর আলী, মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. আজিজুল হক ভুদু এবং দীঘলবাগ গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে আলমগীর। সোমবার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তেহসিন ইফতেখার এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ঘটনার এক মাস আগে ফালানের কাছ থেকে অভিযুক্ত ফজর আলী একটি মোবাইল ধার নিয়েছিলেন। পরে সেটির ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফালানের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শত্রুতা আরও বেড়ে যায় এবং অভিযুক্তরা হত্যার পরিকল্পনা করে।

নভেম্বরের ৩ তারিখ রাত ১১টার দিকে দোকান থেকে ফেরার পথে ফালানকে কৌশলে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে লাথি, কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করা হয়। পরদিন সকালে তার লাশ একটি পুকুরে ভেসে উঠলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি শেরেনুর আলী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ নাজিম কয়েস আজাদ মামলাটি পরিচালনা করেন।